২৭ জুন, ২০১৯ | ১৩ আষাঢ়, ১৪২৬ | ২২ শাওয়াল, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাহ উপজেলা হতে যাচ্ছেঃ প্রজ্ঞাপন জারী   ●  রোহিঙ্গারা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   ●  ঈদগাঁওতে মাদক ব্যবসায় পুরুষের চেয়ে নারীরা এগিয়ে   ●  অবশেষে বরখাস্ত হলেন ডিআইজি মিজান   ●  নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির বৃক্ষরোপনকর্মসূচীর শুভ  উদ্বোধন   ●  অধিকাংশ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে- উখিয়ায় জেলা প্রশাসক   ●  রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধা নিহত   ●  অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ইসলামপুরের শাহিনকে আদালতে প্রেরণঃবাচ্চুর জামিন না মঞ্জুর !   ●  চকরিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার   ●  টেকনাফে ৪টি অস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ অস্ত্রপাচারকারী আটক

রামুর গর্জনিয়ায় হাতকড়াসহ আসামির পলায়ন

কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়ায় আটকের পর থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে গেছেন এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তার নাম জসিম উদ্দিন। শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুরে গর্জনিয়া ইউনিয়নের পূর্ববোমাংখিল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।তবে অভিযানে উপস্থিত এক পুলিশ সদস্যের দাবি, হাতকড়া পরানোর সময় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জসিম উদ্দিন পালিয়ে যায়।স্থানীয় সূত্র জানায়, রামু থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন ইসলাম, গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) মনজুর এলাহী ও কনেস্টবল মুফিজুর রহমান জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তারে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জসিম উদ্দিনকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তারের পর হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে আসার সময় হাতকড়াসহ পালিয়ে যায়।জসিম উদ্দিনের স্ত্রী জায়তুন নাহার ও তাঁর স্বজনদের ভাষ্য, জসিম উদ্দিনকে বাড়ি থেকে সিভিল পোষাকে আটক করে এসআই মামুন হাতকড়া পরায়। এসময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা জসিম উদ্দিনের শিশু ছেলেকে ছুঁড়ে মারলে হাতকড়াসহ আসামি পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। পরে এএসআই মনজুর এলাহী ও কনেস্টবল মুফিজও সিভিল পোষাকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। জসিম হাতকড়াসহ পালানোর ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁরা ঘরে ভাংচুর চালায়। স্বজনদেরকেও মারধর করেন। এসময় এক পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হন। জানতে চাইলে অভিযানে উপস্থিত সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) মনজুর এলাহী দাবি করে বলেন, হাতকড়া নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা সত্য নয়। গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জসিম পালিয়ে যায়।এ ব্যাপারে রামু থানার ওসি মো.আবুল মনসুরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি। দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মো.ইকবাল হোসেন বলেন- ঘটনার বিষয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।