২৭ জুন, ২০১৯ | ১৩ আষাঢ়, ১৪২৬ | ২৩ শাওয়াল, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাহ উপজেলা হতে যাচ্ছেঃ প্রজ্ঞাপন জারী   ●  রোহিঙ্গারা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   ●  ঈদগাঁওতে মাদক ব্যবসায় পুরুষের চেয়ে নারীরা এগিয়ে   ●  অবশেষে বরখাস্ত হলেন ডিআইজি মিজান   ●  নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির বৃক্ষরোপনকর্মসূচীর শুভ  উদ্বোধন   ●  অধিকাংশ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে- উখিয়ায় জেলা প্রশাসক   ●  রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধা নিহত   ●  অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ইসলামপুরের শাহিনকে আদালতে প্রেরণঃবাচ্চুর জামিন না মঞ্জুর !   ●  চকরিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার   ●  টেকনাফে ৪টি অস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ অস্ত্রপাচারকারী আটক

আর থাকছে না জিপিএ ৫

আগামী জেএসসি পরীক্ষা থেকে জিপিএ ৫ এর পরিবর্তে কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ (সিজিপিএ) ৪ এর মাধ্যমে ফল প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।বুধবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বৈঠকে সিজিপিএ পুনর্বিন্যাস করে একটি খসড়া উপস্থাপনের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, বৈঠকে জিপিএ ৫-এর পরিবর্তে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশে সবাই একমত হয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে আমরা বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বৈঠক করব। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ফল পর্যালোচনা করব। এরপর আগামী এক মাসের মধ্যে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে কীভাবে ফল দেওয়া যায় সে ব্যাপারে একটি খসড়া শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করব। যদি সম্ভব হয় আগামী জেএসসি থেকেই আমরা সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশ করতে চাই।বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়। এ কারণে এসএসসি ও এইচএসসির ফলের সঙ্গে উচ্চতর শিক্ষার ফলের সমন্বয় করতে গিয়ে দেশের চাকরিদাতারা সমস্যায় পড়েন। আর বিদেশে পড়ালেখা ও চাকরির ক্ষেত্রে পড়তে হয় আরও বড় সমস্যায়। কারণ প্রতিনিয়তই বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়তে যাচ্ছে। তাদের এসএসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেটের সমতা করে তারপর বিদেশে যেতে হয়। এতে অনেক বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়।বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৫, লেটার গ্রেড এ প্লাস। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড। এরপর ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৪, লেটার গ্রেড এ। ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০, লেটার গ্রেড এ মাইনাস। ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড বি। ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড সি। ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট এক, লেটার গ্রেড ডি। আর শূন্য থেকে ৩২ পাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেড পয়েন্ট জিরো, লেটার গ্রেড এফ। জিপিএ ১ অর্জন করলেই তাকে উত্তীর্ণ হিসেবে ধরা হয়। কোনো বিষয়ে এফ গ্রেড না পেলে চতুর্থ বিষয় বাদে সব বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে গড় করেই একজন শিক্ষার্থীর লেটার গ্রেড নির্ণয় করা হয়।বর্তমানে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গড়ে সব বিষয়ে ৮০-এর ওপরে নম্বর পেলে সিজিপিএ ৪ ও লেটার গ্রেড হয় ‘এ প্লাস’। এরপর ৭৫ থেকে ৮০-এর মধ্যে সিজিপিএ ৩.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘এ; ৭০ থেকে ৭৫-এর মধ্যে গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘এ মাইনাস; ৬৫ থেকে ৭০-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি প্লাস; ৬০ থেকে ৬৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩ ও লেটার গ্রেড ‘বি; ৫৫ থেকে ৬০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি মাইনাস’; ৫০ থেকে ৫৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘সি প্লাস’; ৪৫ থেকে ৫০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘সি’; ৪০ থেকে ৪৫ নম্বর পেলে পয়েন্ট ২ ও লেটার গ্রেড ‘ডি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ৪০-এর কম নম্বর পেলে ফেল, এর লেটার গ্রেড ‘এফ’, এতে কোনো গ্রেড পয়েন্ট নেই।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।