২৭ জুন, ২০১৯ | ১৩ আষাঢ়, ১৪২৬ | ২৩ শাওয়াল, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাহ উপজেলা হতে যাচ্ছেঃ প্রজ্ঞাপন জারী   ●  রোহিঙ্গারা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   ●  ঈদগাঁওতে মাদক ব্যবসায় পুরুষের চেয়ে নারীরা এগিয়ে   ●  অবশেষে বরখাস্ত হলেন ডিআইজি মিজান   ●  নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির বৃক্ষরোপনকর্মসূচীর শুভ  উদ্বোধন   ●  অধিকাংশ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে- উখিয়ায় জেলা প্রশাসক   ●  রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধা নিহত   ●  অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ইসলামপুরের শাহিনকে আদালতে প্রেরণঃবাচ্চুর জামিন না মঞ্জুর !   ●  চকরিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার   ●  টেকনাফে ৪টি অস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ অস্ত্রপাচারকারী আটক

‘অস্ট্রেলিয়ায় যে কোনও মুহূর্তে অগ্ন্যৎপাত, সড়কে বয়ে যাবে লাভার স্রোত’

অস্ট্রেলিয়ায় যে কোনো মুহূর্তে আগ্নেয়গিরির মারাত্মক অগ্ন্যুৎপাত ঘটতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন একজন শীর্ষ বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেছেন, অগ্ন্যুৎপাত এত মারাত্মক হতে পারে যে সড়কের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে লাভার স্রোত।অধ্যাপক রিচার্ড আরকিউলাস নামের ওই বিশেষজ্ঞ বলেন, এই মারাত্মক প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটতে পারে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন এবং নিউ জিল্যান্ডের অকল্যান্ড শহরের ভূগর্ভে।অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি একাডেমিক এই সম্ভাবনার কথা স্বীকার করেছে। বলা হয়েছে কোথায়, কখন এই ট্রাজেডি হাজির হতে পারে তা জানার কোনো উপায় নেই। ডেইলি মেইল অস্ট্রেলিয়াকে ওই বিশেষজ্ঞ বলেন, মেলবোর্ন ও অকল্যান্ড এলাকায় এই অগ্ন্যুৎপাত দেখা দিতে পারে। তিনি বলেন, অগ্ন্যুৎপাতের ফলে মেলবোর্নের প্রধান সড়ক বোর্ক স্ট্রিট দিয়ে বয়ে যেতে পারে লাভার স্রোত।প্রফেসর আরকুলাস মেলবোর্নের মোনাশ ইউনিভার্সিটির এক গবেষণার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ওই গবেষণায় বলা হয় মেলবোর্ন শহরে একটি প্রাচীন ভূগর্ভস্থ আগ্নেয়গিরি ক্ষেত্র রয়েছে। ওই গবেষণায় দেখানো হয়েছিল, অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে একটি ‘ইন্ট্রা-প্লেট ব্যালেস্টিক আগ্নেয়গিরির ক্ষেত্র’ রয়েছে।তিনি বলেন, একই ধরনের ক্ষেত্র রয়েছে অকল্যান্ড শহরে। এমনকি পূর্বে আগ্নেয়গিরির অস্তিত্ব ছিল না- এমন জায়গায়ও দেখা দিতে পারে অগ্ন্যুৎপাত। তবে তা কোথায় ঘটতে পারে বিজ্ঞানীরা তা জানাতে সক্ষম নন।গবেষণার অংশ হিসেবে একটি ভিডিও নির্মাণ করা হয়। এতে দেখানো হয় অগ্ন্যুৎপাতের ফলে অকল্যান্ড শহরে এর প্রভাব। ভিডিওটির নির্মাতা বলেন, অগ্ন্যুৎপাতের ফলে শহরের বাড়িঘরে এর প্রভাবটি কীভাবে পড়বে সেই দৃশ্য দেখানো হয়েছে।ভিডিওটিতে দেখা যায়, সমুদ্রের তলদেশ থেকে হঠাৎ এক বিশাল বিস্ফোরণে আকাশের দিকে উঠে যাচ্ছে কালো ছাই। মুহূর্তে এর ব্যাপ্তি বেড়ে উপকূল ছাপিয়ে আচ্ছন্ন করছে শহরকে। একপর্যায়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে শহরটি। আর অগ্ন্যুৎপাতের কেন্দ্রস্থলের উপরিভাগে বিশাল এলাকা নিয়ে লাভার মাঝে জ্বলছে আগুন।দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত মাউন্ট গাম্বিয়ার শহরে রয়েছে আগ্নেয়গিরি ক্ষেত্রের পশ্চিম রেখা। এ অঞ্চলে সর্বশেষ অগ্ন্যুৎপাত ঘটে পাঁচ হাজার বছর আগে। মেলবোর্ন আর মাউন্ট গাম্বিয়ারের মধ্যে রয়েছে ৪০০টিরও বেশি ছোট ছোট আগ্নেয়গিরি ক্ষেত্র রয়েছে। ছয় মিলিয়ন বছরেরও বেশি সময় ধরে এসব ক্ষেত্রের অবস্থান সেখানে। সূত্র : দ্য সান

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।