২৭ জুন, ২০১৯ | ১৩ আষাঢ়, ১৪২৬ | ২৩ শাওয়াল, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাহ উপজেলা হতে যাচ্ছেঃ প্রজ্ঞাপন জারী   ●  রোহিঙ্গারা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   ●  ঈদগাঁওতে মাদক ব্যবসায় পুরুষের চেয়ে নারীরা এগিয়ে   ●  অবশেষে বরখাস্ত হলেন ডিআইজি মিজান   ●  নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির বৃক্ষরোপনকর্মসূচীর শুভ  উদ্বোধন   ●  অধিকাংশ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে- উখিয়ায় জেলা প্রশাসক   ●  রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধা নিহত   ●  অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ইসলামপুরের শাহিনকে আদালতে প্রেরণঃবাচ্চুর জামিন না মঞ্জুর !   ●  চকরিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার   ●  টেকনাফে ৪টি অস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ অস্ত্রপাচারকারী আটক

‘ইসলামিক নীতিমালা’ লঙ্ঘন করায় ৫ শতাধিক রেস্তোরাঁ বন্ধ ইরানে

ইরানি পুলিশ রাজধানী তেহরানে ৫৪৭ টি রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে বন্ধ করে দিয়েছে। ‘ইসলামিক নীতিমালা’ লঙ্ঘন করার কারণে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শনিবার রাজধানীর পুলিশ প্রধান হোসেন রাহিমি এ কথা বলেছেন। পুলিশ বাহিনীর ওয়েবসাইটে বিবৃতিতে হোসেন রাহিমি জানান, রেস্তোরাঁ ও ক্যাফেগুলোর মালিকরা ইসলামিক নীতিমালা পালন করেননি। এই অভিযানে ৫৪৭ টি ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ১১ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইরানি সংবাদসংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ১০ দিন ধরে অভিযানটি চালানো হয়েছে।ফার্স নিউজ এজেন্সি বলছে,  অপরাধগুলোর মধ্যে সাইবার কেন্দ্রে অস্বাভাবিক বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা, অবৈধ সংগীত বাজানো ইত্যাদি বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত ছিল।পুলিশ প্রধান জানান, ইসলামী নীতিমালা পালন করা হচ্ছে কি-না এটা দেখাও পুলিশের প্রধান দায়িত্বগুলোর অংশ। এদিকে ‘সাংস্কৃতিক  ও সামাজিক অপরাধ এবং নৈতিক দুর্নীতির’ সাথে সম্পর্কিত তেহরানের গাইডেন্স আদালত নাগরিকদের উদ্দেশে একটি মনোনীত ফোন নম্বর পাঠিয়ে ‘অনৈতিক আচরণ’ এর ক্ষেত্রে রিপোর্ট করার আহ্বান জানিয়েছে।ইরানি বিচার বিভাগের হজমহাম্মাদি মিজান অনলাইনকে জানান, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা তাদের কাছে রিপোর্ট করতে চায়, তবে কীভাবে তা করতে হবে তারা জানে না। তিনি বলেন, নাগরিকেরা তাদের ‘গাড়িগুলোতে হিজাব’ সরানো ‘মিশ্র নাচের পার্টি হোস্টিং’ বা ‘ইন্সটাগ্রামে অনৈতিক কন্টেন্ট’ পোস্ট করা সংক্রান্ত বিষয়ে রিপোর্ট করতে পারে।ইরানের অ্যালকোহল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একইসাথে ইসলামিক ড্রেসকোডের অধীনে নারীরা কেবল তাদের মুখ, হাত এবং পাগুলো জনসম্মুখে দেখাতে পারে (দেহের বাকি সব অংশ ঢাকা থাকবে)। সেখানে তারা কেবল সাধারণ রঙের বস্ত্র  পরিধান করতে পারে।ইরানে সরকার ২০১২ সালে  গ্রাহকদের আচরণ পর্যবেক্ষণের জন্য নিরাপত্তা ক্যামেরা ইনস্টল করার জন্য ক্যাফেগুলোকে নির্দেশ দেয়। এর পরিবর্তে কিছু মালিক ক্যাফেগুলোর দরজা বন্ধ করে রাখার পদ্ধতি বেছে নেয়। সূত্র : গার্ডিয়ান

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।