২৭ জুন, ২০১৯ | ১৩ আষাঢ়, ১৪২৬ | ২৩ শাওয়াল, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাহ উপজেলা হতে যাচ্ছেঃ প্রজ্ঞাপন জারী   ●  রোহিঙ্গারা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   ●  ঈদগাঁওতে মাদক ব্যবসায় পুরুষের চেয়ে নারীরা এগিয়ে   ●  অবশেষে বরখাস্ত হলেন ডিআইজি মিজান   ●  নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির বৃক্ষরোপনকর্মসূচীর শুভ  উদ্বোধন   ●  অধিকাংশ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে- উখিয়ায় জেলা প্রশাসক   ●  রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধা নিহত   ●  অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ইসলামপুরের শাহিনকে আদালতে প্রেরণঃবাচ্চুর জামিন না মঞ্জুর !   ●  চকরিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার   ●  টেকনাফে ৪টি অস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ অস্ত্রপাচারকারী আটক

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস সন্তানের জন্য ক্ষতিকর?

গর্ভবস্থায় অনেক সময় হবু মায়েদেরই ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। পরীক্ষা–নিরীক্ষা হয় না বলে তা জানা যায় না। হঠাৎ গর্ভবতী হওয়ার পর রুটিন পরীক্ষায় তা ধরা পড়লে চিন্তায় পড়ে যান চিকিৎসক। কারণ হবু মায়ের সুগার বেশি থাকলে গর্ভস্থ সন্তানের নানা রকম জন্মগত ত্রুটি দেখা দেয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত বেশ কিছু ক্ষেত্রে।

যাদের হতে পারে

যদি হবু মায়ের ওজন ও বয়স বেশি হয়।প্রথম সন্তানের বেলায় গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হয়ে থাকে।প্রথম সন্তানের কোনো জন্মগত রোগ থাকে বা তার ওজন সাড়ে তিন কেজির বেশি হয়।

চিকিৎসা

ডায়াবেটিস থাকলে গর্ভধারণের প্রথম ৪ সপ্তাহের মধ্যে ভ্রূণের সবচেয়ে ক্ষতি হয়৷ সে জন্য সুগার খুব ভাল ভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার৷ওজন ঠিক রাখাও খুব জরুরি। গর্ভাবস্থায় সাধারণত ১০–১২ কেজির মতো ওজন বাড়ার কথা। তবে বয়স ৪০–এর বেশি হলে আর ওজন বাড়ানো তো চলবেই না, বরং কমাতে হবে ৫ শতাংশের মতো না হলে মা ও গর্ভস্থ সন্তান, দুইয়েরই নানা রকম বিপদ হতে পারে।প্রসবের সময় মায়ের ব্লাড সুগার ৯০–১২০ এর মধ্যে থাকা জরুরি। না হলে নবজাতকের রক্তে সুগার খুব কমে যেতে পারে, হতে পারে জন্ডিস ও শ্বাসকষ্ট।মায়ের জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস হলে, তার সন্তানদের পরবর্তী কালে ওবেসিটি ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে।কাজেই কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় তাদের। সুষম খাবার খেয়ে ও ব্যায়াম করে ওজন কম রাখতে হয়। দূরে থাকতে হয় যে কোনো মদ, মাদক ও ধূমপান থেকেও।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।