২৭ জুন, ২০১৯ | ১৩ আষাঢ়, ১৪২৬ | ২৩ শাওয়াল, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাহ উপজেলা হতে যাচ্ছেঃ প্রজ্ঞাপন জারী   ●  রোহিঙ্গারা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   ●  ঈদগাঁওতে মাদক ব্যবসায় পুরুষের চেয়ে নারীরা এগিয়ে   ●  অবশেষে বরখাস্ত হলেন ডিআইজি মিজান   ●  নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির বৃক্ষরোপনকর্মসূচীর শুভ  উদ্বোধন   ●  অধিকাংশ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে- উখিয়ায় জেলা প্রশাসক   ●  রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধা নিহত   ●  অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ইসলামপুরের শাহিনকে আদালতে প্রেরণঃবাচ্চুর জামিন না মঞ্জুর !   ●  চকরিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার   ●  টেকনাফে ৪টি অস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ অস্ত্রপাচারকারী আটক

শুরু হচ্ছে সারাদেশে প্রথমবারের মতো কৃষি-পল্লী জরিপ

প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে কৃষি ও পল্লী পরিসংখ্যান জরিপ (এআরএএস) সারাদেশে ৮০ হাজার খানায় কৃষি ও পল্লী পরিসংখ্যানের তথ্য সংগ্রহ করা হবে এই জরিপের মাধ্যমে।নির্ভুল তথ্য অনুসন্ধানে পল্লী এলাকায় খানার আর্থ-সামাজিক অবস্থান, মালিকানা ভিত্তিক কৃষিজমি, কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচ, সার, বীজ, বালাইনাশক ও কীটনাশক, কৃষিঋণ এবং ঋণের ব্যবহার, কৃষি যন্ত্রপাতি, যাতায়াত, কৃষিপণ্য বিপণন এবং কৃষিমূল্য, কৃষিশ্রমিক, কর্মঘন্টা, শ্রমিকের মজুরির হার, লিঙ্গ-সমতা ও পরিসংখ্যান ও নারীর ক্ষমতায়নের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।আগামী ০৮ এপ্রিল রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে(বিবিএস) এআরএএস প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন বিবিএস-এর ভারপ্রাপ্ত সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্ত্তী ।

এই প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক আখতার হাসান খান বাংলানিউজকে বলেন, প্রথমবারের মতো দেশের ৬৪টি জেলায়  কৃষি ও পল্লী পরিসংখ্যান জরিপ(এআরএএস)  হবে। কৃষি ও পল্লীর সকল তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ০৮ এপ্রিল রোববার সচিব এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।

চলতি সময় থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ মেয়াদে সম্পূর্ণ হবে জরিপ। এতে মোট ব্যয় করা হবে প্রায় চার কোটি টাকা। নানা কারণে এই জরিপ পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে বলে জানায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো(বিবিএস)।

বিবিএস সূত্র জানায়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষিখাতের ভূমিকা অপরিসীম। মোট দেশীয় উৎপাদনে(জিডিপি) কৃষিখাতের অবস্থান শতকরা ১৬ দশমিক ৭৮ ভাগ। দেশের  মোট জনসংখ্যার ৭২ ভাগ পল্লী এলাকায় বাস করে। দেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা ৪৭ ভাগের বেশি এই খাতে নিয়োজিত। অথচ কৃষিপল্লী জরিপ এখনও অনুষ্ঠিত হয়নি। এসব কারণে এই জরিপ করছে সরকার।

প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য পল্লী এলাকায় খানা ভিত্তিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহ করা। এছাড়াও মালিকানাভিত্তিক কৃষিজমি ও জিডিপি মান উন্নয়নের জন্য কৃষি সংক্রান্ত সকল তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

শুরুতে বিবিএস জেলা ও উপজেলা অফিসের মাধ্যমে সমগ্র দেশের দুই হাজার নমুনা এলাকার তালিকা তৈরি করা হবে। তৈরি করা তালিকা অনুযায়ী সিস্টেমেটিক দৈবচয়ন (র‌্যানডম স্যাম্পলিং) পদ্ধতিতে প্রতিটি এলঅকার ৪০টা খানা (পরিবার) থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। গণনাকারী এবং সুপারভাইজিং কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে প্রকল্পের আওতায়। একটি ম্যানুয়েল ও প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে। থাকবে প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে দেশের সকল সকল নমুনা এলাকায় কৃষি ও পল্লী পরিসংখ্যানের তথ্য। প্রশ্নপত্র থেকে তথ্য থাকবে কম্পিউটারে।

বিবিএস মহাপরিচালক(অতিরিক্ত সচিব) আমীর হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, কৃষি ও পল্লীর সঠিক পরিসংখ্যান আমাদের হাতে নেই। ফলে উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিতে নানা সমস্যা হয়। এই বিষয়ে জরিপটা হয়ে গেলে আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত স্বল্প সময়ে নিতে পারবো।  এজন্যই সারাদেশে প্রকল্পটি প্রথমবারের মতো বাস্তবায়িতহবে। কৃষিখাতের উন্নয়নে করণীয় বিষয়ে সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষি ও পল্লী জরিপের কোনো বিকল্প নাই বলে আমি মনে করি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।