২৭ জুন, ২০১৯ | ১৩ আষাঢ়, ১৪২৬ | ২২ শাওয়াল, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাহ উপজেলা হতে যাচ্ছেঃ প্রজ্ঞাপন জারী   ●  রোহিঙ্গারা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   ●  ঈদগাঁওতে মাদক ব্যবসায় পুরুষের চেয়ে নারীরা এগিয়ে   ●  অবশেষে বরখাস্ত হলেন ডিআইজি মিজান   ●  নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির বৃক্ষরোপনকর্মসূচীর শুভ  উদ্বোধন   ●  অধিকাংশ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে- উখিয়ায় জেলা প্রশাসক   ●  রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধা নিহত   ●  অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ইসলামপুরের শাহিনকে আদালতে প্রেরণঃবাচ্চুর জামিন না মঞ্জুর !   ●  চকরিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার   ●  টেকনাফে ৪টি অস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ অস্ত্রপাচারকারী আটক

জুয়েল হাসান’র স্বল্পদৈর্ঘ-জীবন

বিনোদন ডেস্ক:
আমাদের সমাজে একটি ঘটনা অহরহ দেখা যায়। একজন মানুষ যখন বিপদে পড়ে, তখন তার কাছের মানুষগুলো পর হয়ে যায়। একে একে সবাই তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু কেন ? শিশির নামের ছেলেটির দুইটি কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। চার বছর প্রেমের সম্পর্কের পর দুই বছরের সংসার নিতু নামের মেয়ের সাথে। নিতু ইচ্ছে করলেই একটি কিডনি দিয়ে শিশিরকে বাঁচিয়ে রাখতে পারতো। কিন্তু তিনি সেটি করলেন না। স্বামীকে মৃত্যুর মুখে রেখে চলে আসেন বাবার বাড়িতে। এমনকি বাবার বাড়িতে আসার পরে ডির্ভোস লেটার পাঠায় শিশিরের কাছে। আর তার বাবা মা আবার নিতুর বিয়ে ঠিক করে। অন্যদিকে শিশির ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। নিতু একটি কিডনি দিয়ে সে দুর্বল হয়ে বাচঁতে রাজি নয় তাই শিশিরকে ফেলে রেখে চলে আসে। শিশির তার স্ত্রীর কাছ থেকে এতটুকু সহানুভুতি না পেয়েও মত্যুর সময় ঘনিয়ে আসছে ভেবে তার ভালোবাসার মানুষটিকে শেষ বারের মত একবার দেখার জন্য একদিন রাস্তার মাঝে নিতুর পথ আগলে দাড়ায়। নিতু তাকে তাড়িয়ে দেয় এবং তার বিয়ের দাওয়াত দেয়। বেঁচে থাকলে শিশির যেন এসে তার বিয়েতে পেট পুরে খেয়ে যায় এবং তার নতুন জীবনের জন্য দোয়া করে। একথা বলে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে চলে যায় নিতু। যাওয়ার সময়ই রোড এক্্িরডেন্টে মারা যায় নিতু। নিতুর দুটি কিডনিই পরবর্তীতে কাজে লাগে শিশিরের।
জীবন মত্যুর দিনক্ষন কোন মানুষই আগে থেকে জানেনা। তাই এই ছোট্ট জীবনে কেন মানুষকে দুরে ঠেলে দেওয়া? কেন মানুষের বিপদে এগিয়ে আসতে পারিনা ? এই জীবনে যতটুকু পারবো অন্যের বিপদে এগিয়ে আসতে যেন পারি। অন্যের বিপদে যেন হাত বাড়িয়ে দিতে পারি।
এমন একটি গল্প নিয়ে র্নিমিত হয়েছে স্বল্পর্দৈঘ চলচ্চিত্র জীবন। সৃষ্টি এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্রটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন জুয়েল হাসান। অভিনয় করেছেন শিশির আহমেদ ও রিতু রহমান। চলচ্চিত্রটি দেখা যাচ্ছে ইউটিউবে।
ঠেলে, নিজের সুখের পথে পা বাড়ালেন। যখন তিনি যাচ্ছিলেন তখন কি বুঝতে পেরেছিলেনু তার স্বামীর আগেই নিজের সময় ফুরিয়ে এসেছে ?
দর্শক ছোট্ট এই জীবনে বড়াই করার কিছুই নেই। আজকে আছিতো কালকে নেই। তাই যতটুকু সময় বেঁেচ আছি ততটুকুসময় চেষ্টা করব একজন অন্যজনের উপকারে আসার।
আমাদের গল্পটা কেমন লগলো জানাবেন ? আর ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন এবং আমাদের এই চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করবেন। ভালো থাকবেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।